২৮ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্সে দক্ষিণ এশিয়ায় সবার নিচে বাংলাদেশ গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স। ফাইল ছবি

গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স (GII) ২০২৬-এ দক্ষিণ এশিয়ার ছয় দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ২১ দশমিক ৫ স্কোর নিয়ে ১৩৯টি অর্থনীতির তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১০৫তম। গতবারের তুলনায় নেপাল এক ধাপ এগিয়ে ১০৪তম হওয়ায় আঞ্চলিক তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও নিচে নেমেছে।

জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন (WIPO) মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ‘পাওয়ারিং এন্টারপ্রেনারস অ্যাট দ্য ফ্রন্টিয়ার অব সায়েন্স’ শিরোনামে GII-এর ১৯তম সংস্করণ প্রকাশ করে।

সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ৪০ দশমিক ১ স্কোর নিয়ে ৩৮তম অবস্থানে রয়েছে ভারত। এরপর ভুটান ৭৪তম, শ্রীলঙ্কা ৯৪তম, পাকিস্তান ৯৫তম, নেপাল ১০৪তম এবং বাংলাদেশ ১০৫তম অবস্থানে রয়েছে।

GII-এর তথ্য অনুযায়ী, ইনোভেশন ইনপুটের তুলনায় আউটপুটে বাংলাদেশের অবস্থান কিছুটা ভালো। ইনোভেশন আউটপুটে বাংলাদেশ ৯২তম হলেও ইনপুটে রয়েছে ১১৫তম অবস্থানে।

ইনোভেশন ইনপুটের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে অবকাঠামোয় বাংলাদেশের অবস্থান ৮৪তম এবং বাজার সক্ষমতায় ৯৮তম। অন্যদিকে মানবসম্পদ ও গবেষণায় ১২৭তম, ব্যবসায়িক সক্ষমতায় ১২৫তম এবং প্রতিষ্ঠানে ১১৩তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

আউটপুটের দুটি স্তম্ভের মধ্যে জ্ঞান ও প্রযুক্তি উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান ৯৫তম এবং সৃজনশীল উৎপাদনে ৮৭তম।

জ্ঞান হাব ইনস্টিটিউটের সভাপতি খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, উদ্ভাবনে এগোতে হলে বাংলাদেশকে প্রথমে জ্ঞান, মানবসম্পদ, অবকাঠামো, জ্বালানি, প্রতিষ্ঠান ও প্রণোদনাসহ প্রয়োজনীয় ভিত্তি শক্তিশালী করতে হবে। তাঁর মতে, শুরুতেই নতুন উদ্ভাবন তৈরির পাশাপাশি অন্য দেশের উদ্ভাবন স্থানীয় প্রয়োজন অনুযায়ী মানিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে।

এদিকে ৬৬ দশমিক ৭ স্কোর নিয়ে GII ২০২৬-এর শীর্ষে রয়েছে সুইজারল্যান্ড। তালিকায় এরপর রয়েছে সুইডেন, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুর। ৫৭ স্কোর নিয়ে চীন রয়েছে দশম অবস্থানে।