ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে দুই দশক পর সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির প্রধান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা ও সংসদ সদস্যরা আজ শপথ নিচ্ছেন।
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের বেতন-ভাতা নির্ধারিত হয় ১৯৭৩ সালের ‘মিনিস্টার্স, মিনিস্টার্স অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টার্স (রিমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) অ্যাক্ট’ অনুযায়ী; সর্বশেষ সংশোধন হয় ২০১৬ সালে। বর্তমানে একজন মন্ত্রীর মাসিক বেতন ১ লাখ ৫ হাজার টাকা, প্রতিমন্ত্রীর ৯২ হাজার, উপমন্ত্রীর ৮৬ হাজার ৫০০ এবং সংসদ সদস্যের ৫৫ হাজার টাকা। অসুস্থ হলে মন্ত্রিসভার সদস্যদের চিকিৎসা ব্যয় বহন করে সরকার।
সরকারি কাজে বিদেশ সফরে দৈনিক ৫০০–৭০০ মার্কিন ডলার ভাতা পান তাঁরা। মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা সরকারি গাড়ি ও জ্বালানি সুবিধা পান; সংসদ সদস্যরা শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুযোগ পান। পরিবহন, নির্বাচনী এলাকায় যাতায়াত ও অন্যান্য খাতে নির্ধারিত মাসিক ভাতাও রয়েছে।
সংসদ সদস্যরা প্লট সুবিধা পান। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা সরকারি বাসা বা নির্ধারিত হারে ভাড়া ভাতা, বাড়ি সাজসজ্জা ও রক্ষণাবেক্ষণ খাতে বার্ষিক বরাদ্দ পান। এ ছাড়া সম্মানী, টেলিফোন, লন্ড্রি, ক্রোকারিজ, আপ্যায়ন ও দাতব্য খাতে পৃথক ভাতা রয়েছে। নির্বাচনী এলাকায় অফিস পরিচালনার জন্যও মাসিক বরাদ্দ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীসহ প্রায় ৪০ ধরনের প্রকল্পে উপকারভোগী নির্ধারণে সংসদ সদস্যদের সম্মতি প্রয়োজন হয়।
এ বিষয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, নির্বাচনের আগে দলগুলো দুর্নীতি দমনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রীয় ব্যয় যতটা সম্ভব কমিয়ে আনা উচিত বলে মত দেন তিনি।