১১ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

রাজনীতি

ঋণে ডোবার চেয়ে অন্ধকারে থাকা শ্রেয় : বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

ঋণে ডোবার চেয়ে অন্ধকারে থাকা শ্রেয় : বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। তবে তিনি স্বীকার করেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বর্তমানে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। তাঁর ভাষায়, বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেও জ্বালানির ঘাটতি রয়েছে এবং বিপুল বকেয়ার চাপ তৈরি হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু না রেখেও তাদের ভাড়া পরিশোধ করতে হচ্ছে। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে বিভিন্ন সমাধান খোঁজা ও পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জ্বালানি বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকারের (২০০১–২০০৬) সময়ে লোডশেডিং ছিল, তবে জনগণের ওপর বড় ধরনের ঋণের বোঝা চাপানো হয়নি। বর্তমানে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল থাকলেও দেশ ঋণের চাপে পড়ছে। তাঁর মতে, ঋণের ভার নেওয়ার চেয়ে কষ্ট স্বীকার করাই উত্তম।

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এত আর্থিক চাপের মধ্যেও সরকার এখনই বিদ্যুতের দাম বাড়াতে চায় না। তবে ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) মূল্যবৃদ্ধির জন্য চাপ দিতে পারে। সে পরিস্থিতি এড়াতে আগেভাগেই ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ খাতের চুক্তিগুলো পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন। বিএনপি আমলে সিস্টেম লস ছিল ৬ শতাংশ, যা বর্তমানে বেড়ে ১০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এটি কমিয়ে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তীতে তা ৩ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।