১১ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাংলাদেশ

জনগণের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জনগণের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জনগণের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার রাজধানীর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে স্বাস্থ্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-উপদেষ্টা এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন তিনি।

তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ই-হেলথ কার্ড চালু করার কাজ শুরু করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীকে যথাযথ নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারের নীতি হচ্ছে স্বাস্থ্য সেবা জনগণের দ্বারগোড়ায় পৌঁছাতে হবে। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী বলেছেন।

এ বৈঠকে সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পরিত্যক্ত ভবনসমসূহ চিহ্নিত করে সেগুলোকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে এসে স্বাস্থ্য কেন্দ্র করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, ‘শুধুমাত্র এলডিইডি’র পরিত্যক্ত ভবন বা বিল্ডিং রয়েছে ১৭০টি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকারি ও তার অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার এরকম পরিত্যক্ত ভবন বা বিল্ডিং রয়েছে সেগুলো ক্লিনিট ও স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) নির্দেশনা দিয়েছেন।

দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি সভায় আলোচনায় উঠে এসেছে। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে, প্রতিবছর ৩৪ লাখ নবজাতক জন্ম গ্রহণ করে।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, প্রতিবছর নবজাতক জন্মের যে পরিসংখ্যান দেয়া হয় বৈঠকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে মন্ত্রণালয়কে তৎপর হতে বলা হয়েছে।

বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী যার মধ্যে নারী ৮০ শতাংশ এবং পুরুষ ২০ শতাংশ তা নিয়োগ এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৭৪ হাজার শূণ্য পদে (চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মী) নিয়োগের বিষয় নিয়েও সভায় আলোচনা হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।

দূর্গম এলাকায় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসকরা যান সেজন্য মন্ত্রীকে তাগাদা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বলে অতিরিক্ত প্রেস সচিব।

বৈঠকে স্বাস্থ্য মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।